মানসিক শান্তির জন্য ভ্রমণ কেন জরুরি
মনকে জীবন্ত করার জন্য সবচেয়ে উত্তম ও সঠিক উপায় হলো ভ্রমণ বা ঘুরতে যাওয়া। ঘুরতে যাওয়ার মাধ্যমে মনকে সতেজ ও প্রাণবন্ত করা যায়। একঘেয়েমি ও ব্যস্তময় জীবনের জন্য বেড়াতে যাওয়া জরুরি।...
মনকে জীবন্ত করার জন্য সবচেয়ে উত্তম ও সঠিক উপায় হলো ভ্রমণ বা ঘুরতে যাওয়া। ঘুরতে যাওয়ার মাধ্যমে মনকে সতেজ ও প্রাণবন্ত করা যায়। একঘেয়েমি ও ব্যস্তময় জীবনের জন্য বেড়াতে যাওয়া জরুরি।...
মানিকগঞ্জের শিবালয় উপজেলার তেওতা এলাকায় দাঁড়িয়ে আছে ইতিহাসের এক নীরব সাক্ষী তেওতা জমিদারবাড়ি। একসময় যে প্রাসাদ ছিল ঐতিহ্য, সংস্কৃতি ও শৌর্যের প্রতীক, আজ সেটিই ধীরে ধীরে হারিয়ে যাচ্ছে অবহেলা, অযত্ন আর...
ডাউকি পাহাড় থেকে অবিরামধারায় প্রবাহমান জলপ্রপাত, অরণ্য বেষ্টিত উঁচু উঁচু টিলা, সারি সারি পর্বতমালা, ঝুলন্ত ডাউকি সেতু, পিয়াইন নদীর স্বচ্ছ নির্মল পানি, পাহাড়ের সঙ্গে লেগে থাকা বিশাল পাথরখণ্ড, নদীর পানিতে পড়ে...
দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন ১লা নভেম্বর থেকে পর্যটকদের জন্য খুলছে। তবে সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী, দ্বীপে রাতযাপন করা যাবে না। পর্যটকদের দিনেই ফিরে আসতে হবে কক্সবাজারে।
পার্বত্য জেলা বান্দরবানের অন্যতম দর্শনীয় পর্যটন কেন্দ্র কেওক্রাডং পর্যটকদের জন্য ১ অক্টোবর থেকে খোলা হচ্ছে না। জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, পর্যটকদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও আবাসনসহ সার্বিক সুবিধা নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত ভ্রমণ...
ঢাকা থেকে মাত্র ২৭ কিলোমিটার দূরে, মেঘনা, শীতলক্ষ্যা ও ধলেশ্বরীর কোলে লুকিয়ে আছে এক ইতিহাসের খণ্ডিত নগর, 'সোনারগাঁও'। এক সময়কার বাংলার মুসলিম শাসকদের রাজধানী, নদী বন্দর এবং মসলিন বাণিজ্যের প্রাণকেন্দ্র।
বরিশালের উজিরপুর উপজেলার সাতলা গ্রামে অবস্থিত শাপলা বিল । এ যেন প্রকৃতির আঁকা এক রঙিন ক্যানভাস। বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলের এই ছোট্ট গ্রামটি খ্যাতি পেয়েছে বিলজুড়ে ফোটা লাল, সাদা ও গোলাপি শাপলার জন্য।...
বাংলাদেশের কালজয়ী কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদের স্বপ্নের ঠিকানা নুহাশ পল্লী। গাজীপুরের পিরুজালী গ্রামে অবস্থিত এই বাগানবাড়িটি ১৯৯৭ সালে গড়ে তোলেন তিনি। নাটক ও সিনেমার শুটিং স্পট হিসেবে এটি ব্যাপক জনপ্রিয়। এখানেই হুমায়ূন...
বাংলাদেশের উত্তর পূর্বাঞ্চলের এক অমূল্য রত্ন, 'মাধবপুর লেক'। মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার পাত্রখলা চা বাগানের বুক চিরে সৃষ্ট এই লেক আজ এক অনন্য পর্যটন স্বর্গে পরিণত হয়েছে।
বাংলাদেশের শিল্প ইতিহাসে দর্শনা কেরু অ্যান্ড কোম্পানির নাম এক বিশেষ জায়গা দখল করে আছে। ১৯৩৮ সালে প্রতিষ্ঠিত এই প্রতিষ্ঠান শুধু চিনি ও ডিস্টিলারি পণ্যের জন্যই নয়, বরং বহুমুখী উৎপাদন ব্যবস্থার কারণে...